ভিডিওচিত্র
১৯ জুলাই ২০২৪।
জুম্মার নামাজ প্রায় শেষ। সেই সময় মসজিদের দিকেও টিয়ার গ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড এবং গুলি ছুড়ছিল হাসিনার সরকারের পুলিশ।
রাতুল পুলিশের কাছে গিয়ে অনুরোধ করেন, আন্দোলনকারীরা তো নিরাপদ দূরত্বে দাঁড়িয়ে আছে তাহলে গুলি করার কী প্রয়োজন? তিনি গুলি না করার অনুরোধ করতেই দুইজন পুলিশ সদস্য তাঁর বেল্ট ধরে টেনে বলে, “চল, থানায় গিয়ে কথা বলি।”
রাতুল তাদের হাত সরিয়ে দিলে, ডিবি হারুনের এলাকার কনস্টেবল হোসেন আলী তাঁর শটগান রাতুলের পেট বরাবর ঠেকিয়ে গু**লি করে।
গুলির আঘাতে তাঁর নাড়িভুঁ**ড়ি বেরিয়ে আসতে থাকে। তিনি দুই হাত দিয়ে পেট চেপে ধরে কোনোভাবে সেখান থেকে একটু সরে আসেন।
আজও রাতুলের পেটে দুই শতাধিক স্প্লিন্টার রয়ে গেছে। তাঁর একটি কিডনি প্রায় অকেজো।
প্রতিনিয়ত তিনি এমন অসহনীয় ব্যথায় ভোগেন, যে ব্যথায় মনে হয় মৃত্যু খুব কাছাকাছি।
অথচ আজও টকশোতে বসে আওয়ামী জ ঙ্গিদের প্রক্সিরা জুলাইয়ের ঘটনাবলি নিয়ে নিজেদের বক্তব্য প্রচার করতে চায়।
হেলিকপ্টার দিয়ে সোজা বোম্বিং করা হবে... র্যাবের হেলিকপ্টার দিয়ে ওপর দিয়ে মারবে।
* শেখ হাসিনা (জুলাইয়ের সময় এক ফোন কলে হাসানুল হক ইনুকে)
১৯ জুলাই ২০২৪, রাত ৯টা প্রায়। মিরপুর ১০-এর উপর দিয়ে হেলিকপ্টার উড়তেছে, আর গুলি ছুড়তেছে।
ভিডিওটা করেন শহিদ রাকিবুল হোসেন। এই ভিডিও করার ১ ঘন্টার মধ্যেই তিনি শহিদ হন।
স্থিরচিত্র
![]() |
১৯ জুলাই জুমার খুতবা চলাকালে পুলিশ যখন গু/লি চালাচ্ছিল, এই ছেলেটা সামনে এগিয়ে যায় কথা বলতে, যাতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও সংঘর্ষ বন্ধ থাকে!
পুলিশ সবাইকে অবাক করে দিয়ে হাসিমাখা ছেলেটার সামনে এসেই তার কোমরে ব!ন্দু!ক ঠেকিয়ে সবার সামনে গু\লি করে দেয়। খুব সম্ভবত পেটের ডানপাশ থেকে নাড়ি-ভুঁড়ি বের হয়ে আসলে সে নিজের এক হাত দিয়ে তা চেপে ধরে ওখানেই পড়ে যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ছেলেটার নাম রাতুল, নওয়াব হাবিবুল্লাহর ছাত্র। গু!লি চলার পরে মসজিদের মিম্বর থেকে খুতবায় ইমাম সাহেবের ঘোষণা আসে, "যারা বাইরে গু"লি চালাচ্ছে, তাদের জন্য আমি জাহান্নামের সুসংবাদ দিচ্ছি!" ©️ Sumaiya Banna (দেশী আপুর) পোস্ট থেকে নেওয়া |

0 Comments